Saturday, February 13, 2016

মেডিটেশন করার কৈাশল




মেডিটেশনের জন্য আপনাকে সবার প্রথমে যেটা করতে হবে তা হল একটি নিরিবিলি আর শান্ত জায়গা। যেখানে আপনি নিশ্চিন্তে নিজেকে মেডিটেশনে আত্মনিয়োগ করতে পারেন।



এবার নজর দিন মেডিটেশনের সময় আপনার পরিধেয় পোশাকের দিকে। খেয়াল রাখুন মেডিটেশন এর সময় আপনার পরিধেয় কাপড়টি যেন অবশ্যই পরিষ্কার পরিছন্ন হয়। আরও মনে রাখতে হবে মেডিটেশন করার জন্য কাপড়টি যেন সুতি ও পাতলা ধরণের হয়।



মেডিটেশনে বসার আগে ভালোভাবে চোখে মুখে পানি দিতে নেবেন। এতে করে মেডিটেশন করতে আপনার সুবিধা হবে। আর আপনি যদি নিয়মিত চশমা ব্যবহার করে থাকেন তাহলে অবশ্যই মেডিটেশন করার আগে চশমা খুলে নেবেন।
মেডিটেশন এর জন্য উপযুক্ত সময় কখন হবে এ নিয়ে অনেকেই বিভ্রান্তিতে থাকেন। মেডিটেশনের জন্য সবচেয়ে ভালো সময় ধরা হয় ভোরবেলা আর তা না হলে সন্ধ্যা। এই সময়টায় আপনার চারপাশের পরিবেশ এমনিতেই শান্ত থাকে যার ফলে আপনার মেডিটেশনে মনঃসংযোগ করতে কোন সমস্যা হয়না।


মেডিটেশন করার জন্য কোন আসন উপযুক্ত তা আপনার উপর নির্ভর করবে। আপনি নিজে কোন আসনে নিজেকে বেশী সাবলীল আর স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন তা আপনাকেই বেছে নিতে হবে। আপনি যে আসনেই মেডিটেশন শুরু করুন না কেন শুরুটা করুন আপনার কোন সুখকর স্মৃতি বা ঘটনা মনে করে।


যারা যোগ ব্যায়ামের বিভিন্ন আসন জানেন-পদ্মাসন, সুখাসন, গোমুখাসন, সিদ্ধাসন ইত্যাদি যেকোনো আসনে বসে মেডিটেশন করতে পারেন।বজ্রাসনে এতক্ষণ বসে থাকতে যদি অসুবিধা না হয় তাহলে করতে পারেন। যারা নামাজ পড়েন তারা জায়নামাজে যেভাবে বসেন সেভাবেই মেডিটেশন করতে পারেন।



মেডিটেশনের সময় কতক্ষণ দীর্ঘস্থায়ী এ বিষয়ে যদি আপনি চিন্তিত হয়ে থাকেন তাহলে বলতে হয় এটি সম্পূর্ণভাবে আপনার নিজের উপর নির্ভর করে। হতে পারে সেটা ১০ থেকে ২০ মিনিট অথবা ১ ঘণ্টা। এখানে মূল ব্যাপার হচ্ছে আপনার মানসিক স্থিরতা, এখন এটা আপনি কত সময় ধরে আপনি করতে চান সেটা আপনাকেই ঠিক করতে হবে।
মেডিটেশনের উপকারিতা বলে শেষ করা যাবে না। আপনি যদি নিয়মিত মেডিটেশন করেন তাহলে আপনার জীবন যাপন হবে আরও সহজ ও উপভোগ্য।

LIKE US ON FACEBOOK-------....ABU-SAYED-ROBEL-BIPLOP
 
মেডিটেশনের উপকারিতা

মেডিটেশনের উপকারিতা


মেডিটেশন এমন একধরণের মানসিক ব্যায়াম যা বাড়ায় মনোযোগ, সচেতনতা ও সৃজনশীলতা। মনে সৃষ্টি হয় আত্মবিশ্বাস ও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি। আর জীবন থেকে দূর হয় হতাশা ও নেতিবাচকতা। মেডিটেশনের মাধ্যমে আমরা আমাদের মনকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি, করতে পারি আমাদের মনের গভীরে অবলোকন করার অসীম ক্ষমতা। যার মাধ্যমে অর্জন করতে পারি স্বাস্থ্য, সম্পদ, সম্মান, সফলতা ও জীবন যাপনের সঠিক রাস্তা। মেডিটেশনের অন্যতম উপকারিতা হল টেনশন থেকে মুক্তি লাভ। যার ফলে জীবনে আসে প্রশান্তি আর অনাবিল আনন্দ।


মেডিটেশন করলে আপনি অনায়াসেই শতকরা ৭৫ ভাগ মনোদৈহিক রোগ যেমন মাইগ্রেন, সাইনুসাইটিস, ঘাড়ে-পিঠে-কোমরে বা শরীরের যেকোনো স্থানে দীর্ঘদিনের ব্যথা, হজমের সমস্যা, আইবিএস, এসিডিটি, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, অনিদ্রা প্রভৃতি রোগগুলো থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন। আর অন্যান্য রোগ নিরাময়েও ওষুধ ও সার্জারির পাশাপাশি সুস্থ জীবন-দৃষ্টি এবং মেডিটেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
আসুন এবার জেনে নেই যে ৪ টি কারণে আপনিও শুরু করতে পারেন মেডিটেশন।

মেডিটেশন হতাশা কমায়

“Meditation is mind without agitation!” মেডিটেশন করার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপকারিতা হল হতাশা কমানো। আপনি যখনই মেডিটেশন করতে বসেন আপনার মন সবকিছু ছাড়িয়ে যায়। যার ফলে হতাশা, ক্লান্তি, মানসিক অবসাদ সবটা কমে যায়। তাই আপনি যখনই হতাশা বোধ করেন তখনই মেডিটেশন করতে বসতে পারেন। দেখবেন হতাশা আপনাকে দমিয়ে রাখতে বা আপনার জীবনে প্রভাব খাটাতে পারবে না।

মেডিটেশন মনোযোগ শক্তি বৃদ্ধি করে

আপনার মনোযোগ শক্তি বাড়াতে মেডিটেশন মারাত্মক একটা উপায়। মেডিটেশন আমাদের বর্তমান এর উপর মনোযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করে। একই সাথে সাহায্য করে আমাদের চারপাশে কি ঘটছে এসবের প্রতি প্রখর দৃষ্টি রাখতে। যার ফলে আপনাআপনি আমাদের মনোযোগ শক্তি বৃদ্ধি পাই। তাই আপনি যদি আজই মেডিটেশন শুরু করেন তাহলে হয়তো আপনি আর আপনার চারপাশের ঘটে যাওয়া কোন কিছুই মিস করে যাবেন না।

মেডিটেশন শারীরিক সুস্থতা বৃদ্ধি করে

মেডিটেশন আমাদের শারীরিক সুস্থতা প্রায় শতভাগ বাড়িয়ে তোলে। ভালো করে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে আমাদের সকল রোগ শোকের মূলে থাকে দুশ্চিন্তা আর দুর্ভাবনা। মেডিটেশন এই দুই কমিয়ে আপনার শরীর ও মন ভালো রাখে। যখন টেনশন নামক বস্তুই আপনার মধ্যে থেকে চলে যাবে তখন আপনার শারীরিক সুস্থতা বাড়তে বাধ্য। সুস্থ জীবন যাপনের জন্য মেডিটেশনের বিকল্প হয়না।

মেডিটেশন আত্ম সচেতনতা বৃদ্ধি করে

মেডিটেশন হল নিজেকে ভালবাসতে শেখানোর সবচেয়ে দ্রুত  সহজতম রাস্তা। যারা প্রতিনিয়ত নিজের প্রতি অন্যায় আর অবিচার করে চলেছেন, নিজের প্রতি আস্থা হারিয়ে হতাশায় জীবন অতিবাহিত করছেন তারা মেডিটেশন শুরু করতে পারেন। মেডিটেশন একমাত্র রাস্তা যা আপনাকে নিজের আত্ম সচেতনতা বাড়িয়ে নিজেকে ভালবাসতে শেখায় সাথে নিজের প্রতি হারানো আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে সাহায্য  করে। তাই আর নিজেকে কষ্ট দেওয়ার মাধ্যমে আত্মতৃপ্তি লাভ করার চেষ্টা না চালিয়ে করে বরং নিজেকে ভালোবেসে আত্মসুখ উপলব্ধি করতে আপনি ও শুরু করতে পারেন মেডিটেশন।

একটি প্রশান্ত মন, সুস্থ জীবন ও কর্মব্যস্ত সুখী জীবন যাপনের জন্যেই আপনার প্রয়োজন মেডিটেশন করা।

চিন্তা যখন দুশ্চিন্তা আপনার করণীয়



একটু ভালো করে ভেবে দেখলে আমরা বুঝতে পারবো যে আমাদের সকল শারীরিক ও মানসিক সমস্যার মূলে রয়েছে দুশ্চিন্তা নামক   ঘৃ্ণ্যপোকার প্রত্যক্ষ অবদান। চিন্তা যখন দুশ্চিন্তা করা নিয়ে তখন এর জন্য সঠিক সমাধাণ বের করাটা সত্যি বেশ কষ্টকর। কারণ আমাদের কাছে এমন কোন জাদুকরী কিছু নেই যার ছোঁয়ায় আমরা মুহূর্তেই সকল দুশ্চিন্তা মন থেকে গায়েব করে দিতে পারবো।


দুশ্চিন্তা (Anxiety) এমন একটি অনুভূতি যেটা মানুষ না করতে চাইলেও আপনা আপনি মাথায় চলে আসে। তাই বলে ব্যাপারটা এমন নয় যে দুশ্চিন্তা থেকে আমরা কোনভাবেই নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারবোনা। সামান্য কিছু কৌশল জানা থাকলেই দুশ্চিন্তা নামক এই ব্যাধি থেকে আমরা নিজেদের দূরে রাখতে পারি।
আসুন আপনার দুশ্চিন্তা করা নিয়ে চিন্তার সমাধানে কিছু পরামর্শ দেওয়া যাক



1. যখন দুশ্চিন্তা আপনাকে সম্পূর্ণভাবে গ্রাস করে ফেলে একবার নিজে শান্ত হয়ে বসে ভাবুন আপনার দুশ্চিন্তা মূলত কি নিয়ে। একবার যদি দুশ্চিন্তার জুতসই কোন কারণ খুঁজে বের করতে সক্ষম হন তাহলে দেখবেন দুশ্চিন্তা অনেকটাই কমে আসবে।

2. খুব বেশী দুশ্চিন্তাগ্রস্থ হলে ভাবুন যে দুশ্চিন্তা করার ফলে আপনি কি কোন সমাধানে আসতে পারছেন? নাকি আপনার দুশ্চিন্তা করার এই অভ্যাসের কারণে নিজে আরও বেশী হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়ছেন? মনে রাখুন দুশ্চিন্তা করা কোন সমস্যার সমাধান নয়। এটা মেনে নিন দেখবেন দুশ্চিন্তা আপনাকে আগ্রাসন করতে পারবে না। 


3. দুশ্চিন্তা করার আরেকটি অর্থ হল নিজের সময় অপচয় করা। আপনি আপনার জীবনের সমগ্র সময় থেকে যে সময়গুলো শুধুমাত্র দুশ্চিন্তা করে কাটিয়েছেন সেই সময়গুলো কেবল অপচয় হয়েছে মাত্র। এই কথাটা মনে প্রাণে বিশ্বাস করতে শিখুন। আপনার এই বিশ্বাস আপনাকে দুশ্চিন্তা থেকে দূরে রাখতে সাহায্য করবে।


4.দুশ্চিন্তাগ্রস্থ মানুষেরা নিজেদের একা রাখতে পছন্দ করে। যেটা সবচেয়ে বড় ভুল সিদ্ধান্ত। আপনি যদি কোন ব্যাপারে দুশ্চিন্তার শিকার হয়ে থাকেন, তাহলে সেটা নিজের মধ্যে চেপে না রেখে আপনার বিশ্বস্ত মানুষের সাথে আলোচনা করুন। দেখবেন আপনার দুশ্চিন্তা অনেকটা কমে যাবে।


5. যে ব্যাপারটা আপনাকে বার বার দুশ্চিন্তা করতে বাধ্য করবে সেটা আপাতত এড়িয়ে যেতে নিজেকে কাজের মধ্যে ডুবিয়ে রাখুন। এক কথায় আপনার মনোযোগ অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিন। মনোযোগ অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার ফলে একটা সময় আপনার দুশ্চিন্তার কারণ তার গুরুত্ব হারিয়ে ফেলবে।


6. যেকোন মানসিক অস্থিরতা (emotional instability) থেকে নিজেকে দূরে রাখতে মেডিটেশন (meditation) এর তুলনা হয়না। যখনই আপনি নিজেকে দুশ্চিন্তার কবলে পড়তে দেখবেন আপনি নিজেকে মেডিটেশনের জন্য প্রস্তুত করতে থাকুন। প্রায় নিশ্চয়তা দিয়ে বলা যাই যে মেডিটেশন আপনাকে সকল চিন্তা বা দুশ্চিন্তা থেকে রক্ষা করবে।
শারীরিক কসরত (physical exercise) করার মাধ্যমেও দুশ্চিন্তা থেকে নিজেকে দূরে রাখা যায়। আপনার মন দুশ্চিন্তা গ্রস্থ হয়ে উঠলে সামান্য কিছু ব্যায়াম করুন। দেখবেন দুশ্চিন্তা হতাশা গ্লানি সবটা কেমন কমে আসছে।


6. পরিবারের মানুষগুলোর সাথে কিছু ভালো মুহূর্ত কাটাতে পারেন। আপনার সঙ্গীকে নিয়ে কিছু একান্ত সময় উপভোগ করতে পারেন অথবা পরিবারের ছোট সদস্যদের সাথে মেতে উঠতে পারেন হাঁসি আনন্দে। উদ্বেগ আর দুশ্চিন্তা কমাতে এগুলোর বিকল্প হয়না।


7. দুশ্চিন্তা কমাতে আপনার দুচোখ বন্ধ করে বুক ভরে শ্বাস নিন আর শ্বাস ছাড়ুন। এতে করে আপনার শরীরে রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ বেড়ে যাবে আর আপনার স্নায়ু শান্ত হয়ে আসবে এবং মস্তিষ্কে অক্সিজেনের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় আপনার মাংসপেশি শিথিল হয়ে আপনার দুশ্চিন্তাগ্রস্থতা কমে যাবে।
 

জীবনে সফলতা পেতে খুবই জরুরী ১২ টি বিষয়




১) জীবনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সময় আবার পুনরায় ফিরে পাওয়া সম্ভব নয় একেবারেই। সুতরাং সময়গুলোকে গুরুত্ব দিলে পরবর্তীতে তা নিয়ে আর আফসোস থাকবে না।

২) সৌজন্যতাবোধ তখনই বেঁচে থাকবে যদি আপনি তা অন্য কারো প্রতি প্রদর্শন করেন।

৩) প্রেম-ভালোবাসা শুধুমাত্র সময় কাটানোর কোনো বিষয় নয়। এটি জীবনের বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যাপার।

৪) আপনি নিজের জীবন এবং পৃথিবীটাকে যেভাবে দেখেন অন্য কারো পক্ষে তা দেখা বা ভাবা সম্ভব নয়। সুতরাং অন্য কারো কাছ থেকে নিজের মতো করে ভাবার আশা করবেন না।

৫) কোনো ব্যাপারে আশার হাল শক্ত করে ধরে রাখলে সে ব্যাপারটিতে সফলতা আসবেই।

৬) অনেক সময় একটি ভুল সিদ্ধান্তের কারণেও সঠিক পথে পরিচালিত হওয়া সম্ভব হয়।

৭) মানুষের চাহিদা থাকবেই এবং সময়ের সাথে সাথে তা বেড়েই চলবে। সব চাহিদা পূরণ হওয়া সম্ভব নয় একেবারেই।

৮) স্বাস্থ্যটাকেই সব চাইতে গুরুত্ব দেয়া উচিত। নতুবা যৌবনেই বার্ধক্য ভর করতে পারে।

৯) জীবন যাপন এবং ধারণের জন্য পানি ব্যতীত অন্যান্য সকল পানীয় না পান করলেও চলবে। বিশেষ করে মদ ও এনার্জি ড্রিংকসগুলো বাদ দিলে জীবনটা ভালোই যাবে।

১০) জীবনটা অনেক বেশি সুন্দর হবে যদি বর্তমানের সকল দিকে নজর দেয়া সম্ভব হয়। এতে করে ভবিষ্যতটাও আপনাআপনিই সঠিক হয়ে আসবে।

১১) যদি জীবনে সফলতা আনতে চান তবে অবশ্যই গণ্ডির বাইরে চিন্তা করা উচিত এবং সে হিসেবে নিজেকে তৈরি করে নেয়া উচিত।

১২) মানুষ পিছু কথা বলবেই এবং হিংসা বা নিন্দা করে চলবেই। তাই বোলে দমে থাকা বা নিজেকে গুটিয়ে নেয়ার কোনো অর্থ হয় না। এভাবেই এগিয়ে যেতে হবে জীবনে। -



 সফলতার চিরন্তণী বাণী

সফলতার চিরন্তণী বাণী

1- সফল হওয়ার উপায় কী জানি না, কিন্তু ব্যর্থ হওয়ার চাবিকাঠি হচ্ছে সবাইকে খুশি করার চেষ্টা করা (বিল কসবি)


2. মানুষের জন্ম হয় সফলতার জন্য, ব্যর্থতার জন্য নয় হেনরি ডেভিড থরো

3.  ব্যর্থ হওয়ার নানা উপায় আছে, কিন্তু সফল হওয়ার উপায় একটাই এরিস্টল

4. আমাকে আমার সফলতা দ্বারা বিচার করো না; ব্যর্থতা থেকে কতবার আমি ঘুরে দাঁড়িয়েছে তা দিয়ে আমাকে বিচার করো ( নেলসন ম্যান্ডেলা)

5.  দ্রুত কাজ করে অন্যকে অতিক্রম করুন। আপনি যদি সেটি না পারেন, তাহলে বুঝতে হবে আপনি খুব দ্রুত কাজ করতে পারছেন না। মার্ক জাকারবার্গ

6.  কেউ কেউ খুব স্মার্ট কিংবা দক্ষ হতে পারে, কিন্তু তারা যদি তাতে বিশ্বাস না রাখে, তাহলে তারা কঠোর পরিশ্রমে আগ্রহী হয় না
 মার্ক জাকারবার্গ

 আমি প্রতিদিনই আমাকে যে প্রশ্নটি করি তা হল, “আমি কি সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করছি যা আমি করতে পারতাম?” আমি যদি মনে না করি যে আমি সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করছি, তাহলে সময় কাটানোটা আমার কাছে মূল্যহীন মনে হয়।

>মার্ক জাকারবার্গ <

 মানুষের সঙ্গে সহজ ব্যবহার করা আমার কাজ নয়। আমার কাজ হচ্ছে, মানুষকে দিয়ে আরও ভাল কিছু করানো।

\

মানুষ মনে করে ফোকাস অর্থ হচ্ছে তাকে যে বিষয়টিতে মনোনিবেশ করতে বলা হয়েছে, সে বিষয়ে হ্যাঁ বলা। কিন্তু এর অর্থ উল্টো। এর অর্থ হচ্ছে অন্যান্য হাজারো ভাল আইডিয়াকে বিদায় জানানো। তবে এ কাজটি আপনাকে সতর্কভাবে করতে হবে। আমরা যে কাজগুলো করেছি, সেগুলোর জন্য আমি যতখানি গর্বিত, যে কাজগুলো করিনি সেগুলোর জন্যও আমি ঠিক ততোখানিই গর্বিত। উদ্ভাবন মানে হচ্ছে হাজারটা বিষয়কে না বলতে পারা।

 স্টিভ জবস স্টিভ

আপনার সফলতার পথে যে ৫ টি কাজ চরম বাধা হয়ে দাঁড়াবে



“সফলতা” এটি এমন একটি শব্দ যেটার অনুপস্থিতিতে আপনার সম্পূর্ণ জীবন অর্থহীন অবস্থায় উপনীত হবে। আমাদের জীবনে সফলতার যেমন প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম, একইভাবে এই সফলতা অর্জন করার জন্য নিজেকে যোগ্য করে গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তাও অপরিসীম।
মানুষ নিজেই তার সফলতার নির্মাতা। তাই একজন সফল মানুষ হিসেবে নিজেকে আত্মপ্রকাশ করতে চাইলে সফলতা লাভের কৌশল ও সফলতার পথের বাধা বিপত্তিগুলো সম্পর্কে আপনার জ্ঞান থাকা অতীব জরুরী। আপনার অল্পকিছু চেষ্টা বা প্রয়াস যেমন আপনাকে সফলতার শীর্ষে নিয়ে যেতে পারে একই রকমভাবে আপনার কিছু ভুলভাল পদক্ষেপ আপনার সফলতার পথের চরম বাধা হিসেবে প্রতীয়মান হতে পারে।
এই ফিচারে জানাবো আপনার সফলতার পথে কি কি কাজ বাধা হয়ে দাঁড়াবে। যাতে আপনি সেসব কাজ এড়িয়ে চলতে পারেন আর হয়তো তা সাহায্য করবে আপনার সফলতা অর্জনে।
  • আপনার পরিকল্পনার অভাব

আপনার জীবনে সাফল্যলাভের পথে অন্যতম অন্তরায় হতে পারে আপনার অপরিকল্পিত জীবন যাপন। সফলতার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপটির নাম হচ্ছে পরিকল্পনা, আপনি কোন পথে অগ্রসর হবেন আর কোন পথে গেলে আপনি সাফল্য লাভ করতে পারবেন এ সম্পর্কে যদি আপনার নিজের কোন সুপরিকল্পিত চিন্তা ভাবনা না থাকে তাহলে কোনদিনই সফলতা নামক সোনার হরিণের দেখা পাবেন না। তাই জীবনে নিজেকে সফলদের তালিকায় দেখতে চাইলে আগে নিজের কর্মপদ্ধতির সঠিক পরিকল্পনা তৈরি করুন।

  • আপনার দায়িত্ব জ্ঞানহীন স্বভাব

জীবনে সাফল্য চাইলে দায়িত্ব এড়িয়ে চলা স্বভাব বাদ দিতে হবে সবার আগে। আপনি যদি প্রতিনিয়ত নিজের কাজের দায়িত্ব এড়িয়ে চলেন বা সবসময় কাজ ফাঁকি দেওয়ার অজুহাত তৈরি করতে থাকেন তাহলে সফলতার দেখা পাওয়া সত্যি ভীষণ রকমের অসম্ভব হয়ে যাবে। তাই জীবনে সফল হতে চাইলে দায়িত্ব নিতে শিখুন দেখবেন সফলতা নিজে থেকে এসে আপনার দ্বারে করা নাড়বে।

  • আপনি সমালোচনা শুনতে অভ্যস্ত নন

যেকোন মানুষ একটা না একটা সামাজিক গোত্র বা পরিবেশের মধ্যে জীবন যাপন করেন। সেখানে তার সাথে থাকে নানা মানসিকতার নানা মতের মানুষ। আর যেখানে যতো মানুষ সেখানে ততবেশি মতামতের সমাগম ঘটে। আর  তাই আপনার কোন কাজের বিপরীতে ভালো খারাপ এই দুই ধরণের সমালোচনায় আসতে পারে। কিন্তু আপনি যদি কারও সমালোচনাতে রেগে যান বা ভয় পান তাহলে সফলতা অর্জন করা কষ্টকর হয়ে দাঁড়াবে। তাই যদি সফলতা লাভ করতে চান আগে সমালোচনা শোনার বা সহ্য করার মানসিকতা তৈরি করুন।
  • আপনি ভুল কাজ থেকে শিক্ষা নিতে পারেন না

     

জীবনে চলার পথে আমাদের দ্বারা অহরহ ভুল কাজ হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বুদ্ধিমান মানুষেরা কখনো একই ভুল কাজ বার বার করেনা। বরং তারা ভুল কাজ থেকে শিক্ষা গ্রহণের চেষ্টা করে। তাই ভুল করে সেই ভুলের মাসুল আঁকড়ে বেঁচে না থেকে ভুল থেকে শিক্ষা লাভ করার চেষ্টা করুন। সাফল্য আপনার সাথী হতে বাধ্য হবে।

  • আপনি হীনমন্যতায় ভোগেন

একবার যদি আপনি নিজেকে কোন কাজের জন্য নিজের মনের কাছে ছোট বা অযোগ্য হিসেবে ভেবে ফেলেন তাহলে আপনার দ্বারা সেই ভালো কাজ হওয়ার সম্ভাবনা একেবারে তলানিতে গিয়ে পৌঁছায়। সাফল্য লাভের অন্যতম চাবিকাঠি হল আত্মবিশ্বাস, নিজেকে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর করে যদি কোন কাজে এগিয়ে যান তাহলে সফলতা আসবেই।
জীবনে সফলতা লাভের জন্য আপনার কাছে কোন আলাদীনের জাদুর চেরাগ থাকবে না। কারও কাছেই থাকেনা। সবাই নিজের চেষ্টা আর নিষ্ঠা দিয়েই জীবনে সাফল্য লাভ করতে সক্ষম হয়। তাই আপনাকেও একই পথ অনুসরণ করতে হবে। তবে হ্যাঁ কারও অন্ধ অনুকরণ না করে নিজের সৃজনশীল ও গঠনমূলক চিন্তা ভাবনা দিয়ে সামনে এগিয়ে যান। সফলতা আপনার ঝুলিতে এসে আপনা আপনি জমা হবে।



FOLLOW US ON....FACEBOOK PAGE

গনিতের এককের রুপান্তরকরণ

গনিতের এককের রুপান্তরকরণ

  • 1 মিটার = 1,000 মিলিমিটার
  • 1 মিটার = 100 সেন্টিমিটার
  •  
  • 1 কিলোমিটার = 1,000 মিটার
  •  
  • 1 কিলোমিটার ≈ 0.62 মাইল
  •  
  • 1 বর্গ ফুট = 144 বর্গ ইঞ্চি
  •  
  • 1 বর্গ গজ = 9 বর্গ ফুট
  •  
  • 1 ফুট = 12 ইঞ্চি
  •  
  • 1 গজ = 3 ফুট
  •  
  • 1 মাইল = ১৭৬০ গজ
  •  
  • 1 মাইল =1.61 কিলোমিটার
  •  
  • 1 ইঞ্চি = 2.54 সেন্টিমিটার
  •  
  • 1 ফুট = 0.3048 মিটার
  •  
  • 1 একর = 43560 বর্গ ফুট
  •  
  • 1 লিটার ≈ 0.264 গ্যালন
  •  
  • 1 ঘন ফুট = 1.728 ঘন ইঞ্চি
  • 1 ঘন গজ = 27 ঘন ফুট




সহজে স্মরণশক্তি বাড়ানো

সহজে স্মরণশক্তি বাড়ানো

 মস্তিষ্ক হলো ধারালো একটি ছুরির মতন, একে যত শান দেবেন, ততই এর ধার বেড়ে যাবে। আর যতই অকেজো রাখবেন, ততই ভোঁতা হয়ে যাবে। তবে ধার দিতে হবে বুঝেশুনে। যত মাপ আর কায়দামতো এই ধার দেওয়ার কাজটি করবেন, আপনার স্মরণশক্তি ততই বাড়বে।


  •   প্রতিদিনই কোনো না কোনো জায়গায় আমাদের যাওয়া হয়। বাড়ি ফিরে স্মৃতিশক্তি থেকে সেই জায়গার একটা ম্যাপ এঁকে ফেলুন।
  • কোনো পেনসিল, কলম, ক্যালকুলেটর বা কম্পিউটারের সাহায্য ছাড়া কোনো গণিতের সমস্যা দেখে সেটির উত্তর বের করার চেষ্টা করুন।
  •  
  •  যখন খাবার খাবেন, তখন খাবারে কী কী উপাদান ব্যবহার হয়েছে, সেগুলো আলাদা করে ধরার চেষ্টা করুন। প্রতিটির আলাদা স্বাদ মাথায় গেঁথে ফেলুন।
  •  
  • . প্রতিদিন একটি করে ক্রসওয়ার্ড পাজল সমাধান করুন।

  • . মনে মনে কোনো একটি শব্দ ধরুন এবং এর বানানটা খেয়ালে রাখুন। এবারে আরেকটি এমন শব্দ মনে করার চেষ্টা করুন, যার শুরু অথবা শেষে আগের শব্দটির অন্তত দুটি বর্ণ রয়েছে।
  •  
  •  বাজারের লিস্টে কী কী আছে তা মনে করুন, অবশ্যই যদি অন্তত ডজনখানেক আইটেম থাকে তবেই!
  •  
  •  বাজার করার সময় কত টাকা খরচ হচ্ছে, তার একটি চলমান হিসাব মাথার মধ্যে চালু রাখুন।
  •  
  • . দিনে ১০ মিনিট বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজধানীর নাম মনে করার চেষ্টা করুন।
  •  
  • আপনার প্রিয় কোনো গানের কথা মনে রাখার চেষ্টা করুন





দ্রুত পড়া মুখস্থ করার কার্যকর পরামর্শ

দ্রুত পড়া মুখস্থ করার কার্যকর পরামর্শ

 

1. জোরে পড়ুন :

জোরালো কণ্ঠে পড়ুন। জোরে পড়লে মাথায় তথ্য দ্রুত ঢুকে যায়। যেমন একটি গান যখন শোনেন, তখন তা দ্রুত মনে পড়ে। যা পড়ছেন তা কানে প্রবেশ করলে দ্রুত মুখস্থ হবে।

2. লক্ষ্য স্থির করুন :

পড়তে বসলে নিজের লক্ষ্য স্থির করুন। বইয়ের কত পাতা পর্যন্ত কত সময়ের মধ্যে শেষ করবেন তা ঠিক করে নিন। নয়তো মনোযোগ হারাবেন এবং সময়ের অপচয় হবে।

3. নিজেই যখন শিক্ষক :

নিজেই নিজের শিক্ষক হয়ে উঠুন। কি পড়লেন, কি মুখস্থ করলেন ইত্যাদি বুঝতে নিজেই শিক্ষকতা পালন করুন। নিজেই পরীক্ষা দিন এবং তা যাচাই করুন।

4. নোট করুন :

যাই শিখবেন তাই লিখে ফেলুন। এগুলো নোট করুন। লেখা হলে তা দ্রুত মাথায় ঢুকে যাবে এবং সহজে ভুলবেন না।

5. ইন্টারনেটের ব্যবহার :

আধুনিক যুগে পড়াশোনার বড় সুবিধা দেয় ইন্টারনেট। বিভিন্ন টপিক সম্পর্কে ধারণা নিন। যে বিষয়ে পড়ছেন তার সংশ্লিষ্ট অনেক কিছুই হয়তো বইয়ে নেই। এগুলো ইন্টারনেটে দেখে নিন। এতে ধারণা পরিষ্কার হবে।

6. বিরতি দিন :

একটানা অনেকক্ষণ পড়লে অস্থিরতা চলে আসবে। এর জন্যে নিয়মিত অল্প সময়ের জন্যে বিরতি নিন।

7. চিউইং গাম :

এটি চিবোতে পারেন। গবেষণায় দেখা গেছে, চিউইং গাম চিবোতে চিবোতে পড়লে তা মাথায় দ্রুত প্রবেশ করে। এ সময় মস্তিষ্কের কার্যক্রম দ্রুত হয় এবং গামের ফ্লেভার বেশ উপকারী হয়ে ওঠে।

8. হাঁটুন :

বেশ কিছুক্ষণ পড়ার পর ১৫-২০ মিনিট হেঁটে আসুন। এতে দেহের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পাবে এবং মস্তিষ্ক বিশ্রাম পাবে।



Friday, February 12, 2016

আপনার হাতের লেখা সুন্দর করার কৈাশল

আপনার হাতের লেখা সুন্দর করার কৈাশল


আপনার সবচেয়ে খারাপ হাতের লেখাকে সবচেয়ে সুন্দর হাতের লেখায় পরিণত করা কেবল সময়ের ব্যাপার।
এজন্য প্রয়োজন প্রচণ্ড ইচ্ছাশক্তি আর সাধনা।


 হাতের লেখা সুন্দর করার বিষয়টি এখানে মুখ্য।
সুন্দর হাতের লেখার জন্য পরীক্ষায় বেশি নম্বর পাওয়া যায়। স্বাভাবিকভাবেই একশ’ খাতার ভেতরে যেটার হাতের লেখা সুন্দর, শিক্ষক সেটির দিকে একটু অন্যভাবে নজর দেবেন! তাছাড়া বন্ধুদের মাঝে সুন্দর হাতের লেখার জন্য সুনামও কুড়ানো যায়। এমন কী বড় ভাইদের প্রেমিকার কাছে চিঠি লিখতেও ডাক পড়ে তার, যার হাতের লেখা সুন্দর!
হাতের লেখা সুন্দর করার জন্য কোনো বয়সের প্রয়োজন নেই। অনেকেই বলে- আমি তো কলেজে পড়ি কিংবা ভার্সিটিতে পড়ি, এখন আর হাতের লেখা সুন্দর করা সম্ভব নয়। কিন্তু ধারণাটি ভুল ছাড়া আর কিছু নয়। হাতের লেখা যেমন অনেক ছোট থাকতে সুন্দর করা যায়, তেমনই বুড়ো বয়সেও সুন্দর করে লেখা যায়। এজন্য সবার আগে প্রয়োজন ইচ্ছাশক্তি। হাতের লেখা সুন্দর করতে প্রচণ্ড ইচ্ছাশক্তি আপনাকে একধাপ এগিয়ে রাখবে।
প্রথমেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হোন- ‘হাতের লেখা সুন্দর করবো।’ ইচ্ছা অনুযায়ী এবার নিজেকে সেই কাজে মনোনিবেশ করতে হবে। এজন্য একটি সুন্দর হাতের লেখা বাছাই করুন। যে লেখা অনুসরণ করে লেখা হবে। কাছাকাছি এমন কাউকে খোঁজে বের করুন, যার হাতের লেখা সুন্দর। এরপর তার কাছে একটি পৃষ্ঠা হাতে লিখে নিন। মোটামুটি এক পৃষ্ঠায় বাংলা বর্ণমালার সব অক্ষরই থাকে। আর না থাকলেও সমস্যা নেই। আর কাছে কাউকে না পাওয়া গেলে অন্য কোনোভাবে একটি সুন্দর হাতের লেখা সংগ্রহ করুন।

সুন্দর হাতের লেখা তো সংগ্রহ হলো। এবার সেই লেখাটি ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে এবং সেই অনুযায়ী হাতের লেখা লিখতে হবে। এক্ষেত্রে প্রতিটি অক্ষরকেই সমান গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।
প্রথম দিকে আস্তে আস্তে লিখতে হবে। লেখার ক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো করা যাবে না। প্রয়োজনে যত সময় লাগে লাগুক, কিন্তু অনুসরণ করা লেখাটির মতো হুবহু সুন্দর করে লেখার চেষ্টা করুন।
লেখা বাঁকা হয়ে যেতে পারে। তাই প্রথমে দাগ কাটা (দাগ টানা) খাতায় লিখুন। এতে হাতের লেখাটা সোজা হবে, বেঁকে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। স্টেশনারিতে দাগ কাটা দিস্তা খাতা কিনতে পাওয়া যায়।
লেখার সময় দেখতে হবে, কোনো অক্ষর যেন অন্যটির চেয়ে ছোট-বড় না হয়। প্রতিটি অক্ষর সমান উচ্চতা ও স্পেস নিয়ে লেখার চেষ্টা করুন।

প্রতিদিন কম করে হলেও পাঁচ পৃষ্ঠা লিখুন। একদিন দশ পৃষ্ঠা লিখে অন্যদিন লিখবেন না, এই অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। নিয়মিতভাবে লিখতে হবে। যত বেশি লেখা যায়। তবে পাঁচ পৃষ্ঠার কম যেন না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখুন।
হাতের লেখা সুন্দর করার চেষ্টা শুরুর পর সব ধরণের লেখাকে সে অনুযায়ী (নতুন পদ্ধতি) লিখতে হবে। ক্লাসের পড়া হোক, ক্লাসের বাইরে খেলতে গিয়ে ক্রিকেট স্কোর হোক আর বাজারের লিস্ট-ই হোক, লিখতে হবে অনুসরণ করা লেখাটির মতো করেই। পুরাতন পদ্ধতির লেখার অভ্যাসগুলো ত্যাগ করতে হবে।

একই ধরণের কলম দিয়ে লেখার চেষ্টা করুন। জেল পেন (জেল কলম) পরিহার করে বলপয়েন্ট কলম ব্যবহার করুন। বাজারে এখন পাঁচ টাকা মূল্যের অনেক ভালো কলম পাওয়া যায়।

হাতের লেখা সুন্দর না হওয়া পর্যন্ত চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। ধৈর্য্য হারালে চলবে না। যতদিন হাতের লেখা হুবহু সুন্দর না হচ্ছে, ততোদিন চেষ্টা চালাতে হবে। তবে দুই থেকে তিন মাস নিয়মিত লিখলে হাতের লেখা সুন্দর হতে বাধ্য।
হাতের লেখা সুন্দর হওয়ার পর লেখার গতি বাড়ানোর চেষ্টা করুন। আগে তো আস্তে আস্তে সুন্দর করে লিখতেন। এবার তার থেকে কম সময়ে লেখাটি শেষ করার চেষ্টা করুন। তবে খেয়াল রাখতে হবে, দ্রুত লিখতে গিয়ে যেন লেখার সৌন্দর্য কমে না যায়। এভাবে কিছুদিন চেষ্টা করলে দেখা যাবে, হাতের লেখা সুন্দরও হচ্ছে এবং অনেক দ্রুততার সঙ্গেই লেখা সম্ভব হচ্ছে।

চেষ্টা করলে সম্ভব নয়, এমন কাজ খুব কমই আছে পৃথিবীতে। আর হাতের লেখা তো চেষ্টা আর সময়ের ব্যাপার। সুন্দর হাতের লেখা তিন আঙুলের হস্তশিল্পও বটে।





 আবু ছায়েদ রুবেল বিপ্লব
কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড পলিমার সায়েন্স
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট

Sunday, February 7, 2016

Translation

Translation

  • ★আমারও তাই মনে হয়
    -It seems to me, as well...
    .
    ★আজ আর বসছি না
    -I,m not sitting any longer today...
    .
    ★বিশ্বাস কর, আমি জানি না
    - Believe me, I don't know...
    .
    ★বাইরে এখন প্রচন্ড ঠান্ডা
    - It's severe cold outside...
    .
    ★তাঁকে ফোন কর
    - Do phone him...
    .
    ★এতোটা চিন্তার কিছু নেই...
    - Nothing to worry about...
    .
    ★ভাবতেও ভয় হচ্ছে...
    -It's even awful to think about...
    .
    ★না ভেবে কিছু বল না...
    - Don't say without thinking...
    .
    ★আসতে কোন সমস্যা হয়নি তো?
    - Did you find it easy?
    .
    ★কিভাবে একথা বলতে পারলে?
    - How could you say that?

    ★এটা ভাল দেখায় না...
    - It doesn't look fair...
    .
    ★এখন ঘুমাবার সময়...
    -Time to sleep now..





 আবু ছায়েদ রুবেল বিপ্লব
কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড পলিমার সায়েন্স
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
মজার কিছু Translation জেনে নিই

মজার কিছু Translation জেনে নিই


1.তুমি ছিলে আমার জীবন,
You were my Life,
2.ছিলে চির সাথী,
were my cully.
3.কি করে ভুলে গেলে তুমার প্রতিশ্রুতি??
How did you forget your avowal ?
4.স্পর্শ করো নি পবিত্র গ্রন্থ?
Did you not touch holy book?
5.তবে কেন কাঁদালে আমায়?
Than why did you Let me to weep?
6.বদলে দিয়ে ছিলে আমার জীবনের ধরণ,
You varied my Life fashion.
7.কষ্টে হলেও করেছিলাম বরণ।
yet with trouble I received.
8.গুলি করে হত্যা করে নষ্ট করেছ সুন্দর জীবন টাকে,
You Shot me, spoiled my beautyful Life,
9.বারেবারে আঘাত করেছ অসীম
বিশ্বাসে।
You have hit on my deeper believe again by again.
10.আমি সুখি নয় ছেড়ে তোমায়,
Neither I'm not happy without you.
11.তুমিও হবেনা অনেক কাঁদিয়ে আমায়।
you will never be happy for keeping me a lot of cry.
12.পেয়ে গেলে তুমি জীবন সাথী,
You have gotten your Life partner for ever,
13.ধরিয়ে দিলে আমায় তুমার কষ্টদায়ক
স্রথি।
let me to hold your painful memories.
14.ক্ষমা করবেনা আমার চোখের
পানি তুমায়,
Tears of my eyes will never forgive you,
15.কারণ
because
16.যদি চাইতে আমায়
তবে পেয়ে যেথে যেকোনো পন্থায়।
if you wanted to get me than you could to get anyway.
17.কতই মধুর ছিল তুমার মুখের বানী,
how sweet were your facial sagos,
18.তবে পারবে কি মুছে দিতে চোখের
পানি,
then can you dry my tears?
  1. About Relatives (আত্মীয়-স্বজন)
  2. Foester mother = পালক মা
  3. Bride = কনে
  4. Bridegroom = বর
  5. Maternal uncle = মামা
  6. Maternal Aunt = মামী
  7. out and out-পুরোপুরি
  8. Rainy day-দুর্দিন
  9. Red handed-হাতেনাতেধরা 
  10. Rank and file-সাধারণ স্তরের জনগণ
  11. Step motherv= সৎ মা
  12. Step brother = সৎ ভাই 
  13. Step sister = সৎ বোন
  14. Son-in-low = জামাতা
  15. Co-wife = সতিন
  16. Adopted son = পালক ছেলে
  17. Adopted daughter = পালক মেয়ে
  18. Foster father = পালক বাবা 
  19. Put up with-সহ্য করা
  20. Smell a rat-সন্দেহ করা
  21. Point blank-সরাসরি
  22. Throw cold water-নিরুৎসাহিত করা
  23. up and doing- তৎপর হওহা
  24. Through thick and thin-সুখে দুখে একসাথে
  25. Bag and baggage-তল্পিতল্পাসহ
  26. By and large-মোটামুটি,অধিকাংশ
  27. Burning issue-ব্যাপক আলোচিত বিষয়।
  28. Black sheep-কুলাঙ্গার
  29. Bill of fare-মেনু খাদ্য তালিকা
  30. Cast aside-বাতিল করা
  31. Cock and bult story-অসত্য ঘটনা
  32. Dead against-ঘোর বিরোধী
  33. Dead letter-অচল
  34. Go to the dog-গোল্লায় যাওয়া।
এপিজে আবদুল কালামের ১০টি স্মরণীয় উক্তি

এপিজে আবদুল কালামের ১০টি স্মরণীয় উক্তি



১. স্বপ্ন সত্যি হওয়ার আগেই তোমাকে স্বপ্ন দেখতে হবে।

২. উৎকর্ষ একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া এবং এটা কোনো দুর্ঘটনা নয়।

৩. জীবন এক কঠিন খেলা। এই খেলায় জয় তখনই সম্ভব, যখন তুমি ব্যক্তি হিসেবে জন্মগতভাবে পাওয়া অধিকারকে ধারণ করবে।

৪. জীবনে সমস্যার প্রয়োজন আছে। সমস্যা আছে বলেই সাফল্যের এতো স্বাদ।

৫. যে হৃদয় দিয়ে কাজ করে না, শূন্যতা ছাড়া সে কিছুই অর্জন করতে পারে না।

৬. শিক্ষাবিদদের বিচক্ষণতা, সৃজনশীলতার পাশাপাশি উদ্যোগী হওয়ার ও নৈতিক নেতৃত্বেরও শিক্ষা দেওয়া উচিত। সেই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজেকে পথিকৃৎ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার যোগ্যতা অর্জন করা উচিত

৭. আকাশের দিকে তাকাও। আমরা একা নই। পুরো মহাবিশ্ব আমাদের প্রতি বন্ধুসুলভ। এবং এই মহাবিশ্ব তাকেই অকাতরে দিতে প্রস্তুত, যে স্বপ্ন দেখে ও কাজ করে। 
 
৮. যদি একটা দেশকে সম্পূর্ণরূপে দুর্নীতিমুক্ত ও একটা জাতিকে সুন্দর মনের অধিকারী করতে হয়, তাহলে আমি বিশ্বাস করি, তিনজন ব্যক্তি এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখতে পারেন- বাবা, মা ও শিক্ষক। 
 
৯. তরুণদের প্রতি আমার বার্তা, ব্যতিক্রম চিন্তা, আবিষ্কার, অচেনা পথে চলার, অজেয়কে জয় করার ও সমস্যা মোকাবেলার সাহস রাখতে হবে। তাহলেই সফলতা আসবে। 
 
১০. আমরা তখনই স্মরণীয় হয়ে থাকবো, শুধুমাত্র যখন আমরা আমাদের উত্তর প্রজন্মকে উন্নত ও নিরাপদ ভারত উপহার দিতে পারবো।
  1. Confront ← কনফ্রন্ট → মুখোমুখি হওয়া,
    ❷ Consort ← কানসোর্ট → সঙ্গী হওয়া,
    ③ Conspire ← কন্সপায়ার → ষড়যন্ত্র করা,
    ❹ Constrict ← কনস্ট্রিক্ট → সংকুচিত করা,
    ⑤ Consult ← কনসাল্ট → পরামর্শ করা,
    ❻ Contemn ← কনটেম → অবজ্ঞা করা, অত্যন্ত ঘৃণা করা,
    ⑦ Crave ← ক্রেইভ → ব্যাকুলভাবে কামনা করা,
    ❽ Crease ← ক্রীস → ভাজ করা,
    ⑨ Crawl ← ক্রুল → হামাগুড়ি দিয়ে চলা,
    ❿ Creep ← ক্রীপ → হামাগুড়ি দিয়ে চলা,
    ⑪ Criminate ← ক্রীমিনেইট →অভিযুক্ত করা,
    ⓬ Crimple ← ক্রীম্পল → সংকুচিত করা।
    ➀ Criticize ← ক্রিটিসাইজ →সমালোচনা করা,
    ➋ Croon ← ক্রুন → গুনগুন করে গান গাওয়া,
    ➂ Crumple ← ক্রাম্পল → চাপ দিয়ে ভাজ পরানো,
    ➍ Crumble ← ক্রাম্বল → ভেঙ্গে টুকরা টুকরা করা,
    ➄ Cuff ← কাফ → ঘুষি মারা,
    ➏ Curb ← কার্ব → সংযত করা,
    ➆ Curse ← কার্জ → অভিশাপ দেওয়া,
    ➑ Daunt ← ডোন্ট → নিরুৎসাহিত করা,
    ➈ Dally ← ড্যালি → হেলাফেলা করা, ছেলেখেলা করা,
    ➓ Decline ← ডিকলাইন → প্রত্যাখান করা, অস্বাকীর করা,
    ⑪ Defeat ← ডিফীট → পরাজিত করা, পরাভূত করা,
    ⓬ Defend ← ডিফিন্ড → আত্মরক্ষা করা।
প্রাণী তথ্যঃ
  • ঘোড়া'য় একমাত্র প্রাণী যে দাড়িয়ে ঘুমাই।
  •   মাছ একমাত্র প্রাণী যে চোখ খোলা রেখে ঘুমাই।
  •   হাতি একমাত্র প্রাণী, যে পিছনে দেখতে পায় না।
  • শিয়াল একমাত্র প্রাণী যে, সবচেয়ে বেশি চালাক।
  • জিরাফ একমাত্র প্রাণী যে, সবচেয়ে বেশি লম্বা।
  •   গাধা একমাত্র প্রাণী যে, সবচেয়ে বেশি অলস।
1. Physiology = শরীরবিদ্যা
2. Evolution = বিবর্তন সম্পর্কিত বিদ্যা
3. Microbiology = অণুজীববিদ্যা
4. Anthropology = নৃ-বিজ্ঞান
5. Anatomy = শারীর বিদ্যা
6. Ecology = বাস্তুবিদ্যা
7. Geology = ভূতত্ত্ববিদ্যা
8. Ophthalmology = চক্ষুবিজ্ঞান
9. Dermatology = চর্মরোগ বিজ্ঞান
10. Neurology = স্নায়ুবিজ্ঞান
11. Nephrology = রেচনতন্ত্রবিজ্ঞান

12. Apiculture = মৌমাছি পালন বিজ্ঞান
13. Aviculture = পাখি পালন বিজ্ঞান
14. Sericulture = রেশম চাষ বিজ্ঞান
15. Horticulture = উদ্যান পালন বিদ্যা
16. Pearl Culture = মুক্তা চাষ
17. Herbal = ভেষজ
18. Pesticide / Insecticide = কীটনাশন
19. Piscicultre = মাছ চাষ বিজ্ঞান
20. Flora = উদ্ভিদকূল
21. Fauna = প্রাণিকুল
22. Entomology = কীটপতংগ সম্পর্কিত বিদ্যা
23. Genetics = জ়ীনত্ত্ব বা বংশগতি সম্পর্কিত
বিদ্যা





 আবু ছায়েদ রুবেল বিপ্লব
 কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড পলিমার সায়েন্স
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট


Thursday, February 4, 2016

পড়ালেখায় ভালো করার মন্ত্র!

পড়ালেখায় ভালো করার মন্ত্র!


এই আপনিই কোচিং সেন্টারে, স্যারের বাসাতে, স্কুলের পরীক্ষাতে, এমনকি প্রাইভেট টিউটরের সামনে দাপিয়ে বেড়াতেন। সেই আপনিই এখন ক্লাসের লাস্ট বেঞ্চে বসে মাথা লুকিয়ে রাখেন, টিচারদের দৃষ্টি এড়াতে। যেই আপনি চেয়ার-টেবিলে বসলেই, কোচিংয়ে ভাইয়ার লেকচার শুনলেই, পড়ালেখা হয়ে যেতো। সেই আপনিই নিয়মিত ক্লাসে গিয়ে, এসাইনমেন্ট-ল্যাবের রিপোর্ট ঠিক সময়ে জমা দিয়েও, এক লাইনও মাথায় ঢুকাতে পারেন না। কেনো পারেন না? কারণ আপনি ভার্সিটিতে যান, শিখার চেষ্টা করেন না। বাসায় এসে পড়েন, স্টাডি করেন না। এসাইনমেন্ট জমা দাও, নাম্বার পাওয়ার কম্পিটিশন করেন না। ক্লাসে যান, পড়া বুঝে নেওয়ার আগ্রহ দেখান না। আড্ডা মারো, ট্যুর দাও, ক্লাস লেকচার নিয়ে আলোচনা করেন না। দুই নাম্বার কম পাইলে, হু কেয়ারস, নাম্বার ডাজেন্ট মেটার বলে বেনসন ধরান, টপকে যাওয়ার চ্যালেঞ্জ নেন না। তাই “পরীক্ষার আগের দিন রাতে, বুঝে না বুঝে আপলোড করেন মাথায়, ডাউন-লোড করেন পরীক্ষার খাতায়”।

আপনাকে স্টাডি করতে হবে- মুভি দেখা, খেলা দেখার স্টাইলে। মুভি দেখার মতো, চোখ থাকবে বইয়ের পাতার দিকে, মাথার চিন্তা থাকবে- পড়া লজিক্যালি কোন জায়গা থেকে কোন জায়গায় যাচ্ছে সেটা চিন্তা করতে। ইমোশন এবং ফিলিংস থাকবে, পড়া অগ্রসর হওয়া, বুঝতে পারা, শেষ হওয়ার দিকে। পড়ালেখার জন্য ইমোশন, আবেগ, ক্রেজ না থাকলে- দুই মিনিট পরেই ভাল্লাগেনা ভাবতে, মোবাইল ধরতে, ফেইসবুক খুলতে মন আকুপাকু করবে। আর পড়া মনে রাখতে হবে প্রিয় গানের লিরিক্স মনে রাখার স্টাইলে। দুই-একবার শুনলে দুনিয়ার কারোরই গানের লিরিক্স মনে থাকবে না। তাই বারবার শুনতে হয়। একইভাবে একবার পড়লে পড়া কারোরই মনে থাকবে না। বারবার পড়ে, স্টাডি করতে হয়। প্রথমবার পড়ে চ্যাপ্টারে সম্পর্কে আইডিয়া নিবা। পরেরবার আরেকটু বুঝার চেষ্টা করবা, ড্রয়িং থাকলে আঁকবা, পরীক্ষার খাতায় লিখার মতো করে লিখবা, রাতে বিছানায় শুয়ে চোখ বন্ধ করে রিভাইজ দিবা।

ক্ষুধা লাগার পরে, খেতে না পারলে যেমন চটপট করতে থাকেন। দিনের পড়া দিনে শেষ করতে না পারলে সেই লেভেলের চটপট করতে হবে। পড়ালেখাকে জীবনের অপরিহার্য অংশ বানাতে হবে। তখন পড়ালেখার ভালো পরিবেশ থাকুক বা না থাকুক, সাবজেক্ট কঠিন হোক বা বায়বীয় হোক, আপনি ঠিকই হায়েস্ট নাম্বার পাবে। গার্লফ্রেন্ড অন্য ছেলের প্রোফাইল পিকচারে লাইক দিলেও আপনি ভরের নিত্যতার সূত্র ছন্দ করে পড়তে থাকবেন। নিজেই নিজেকে ডেডলাইন দিয়ে পড়া শেষ করবে। নিজে নিজেই মডেল টেস্ট, মক টেস্ট দিবে। কিছুক্ষণ বসে বসে পড়তে ভালো না লাগলে, হেটে হেটে পড়বেন, জায়গা চেইঞ্জ করে পড়বেন। বাসে, বাথরুমে, দুই ক্লাসের গ্যাপে, এমনকি বই না থাকলে মনে মনে রিভাইজ দিবেন। এইটাকে বলে স্টাডি। এইটাকে বলে ক্রেজি। এইটাকে বলে আতলামি। এই আতলামি একটা সিরিয়াস নেশা। এই নেশার জগতে ঢুকতে পারলে- ডিপার্টমেন্টের টিচার হওয়া, প্রেসিডেন্ট থেকে গোল্ড মেডেল নেওয়া, ফুল-ব্রাইট স্কলারশিপ পাওয়া, এমনকি জুনিয়র ব্যাচের সুন্দরীর ভালবাসা, কোনটাই কোন ব্যাপার না।
SSC English Suggestion-2016

SSC English Suggestion-2016

English 1st paper
Comprehension:
Seen passage (Q1-3)
1. Facebook is a directory of photos……….into a curse.
2. A responsibility is duty………..
3. Bangladesh is called………..
4. Mans is social ………
5. The importance of learning English.

Unseen passage (Q4-5)
1. Mother Tereas is a dedicated soul……..
2. Albert Einstein was one of the greatest…….
3. Hazrat Ali (R) was bron in……..
4. Kazi Nazrul Islam is our …………


Paragraph Writting :
1. National Flag
2.Water pollution
3. Load shedding
4. Tree Plantation
5. Traffic Jam.


Completing Story Writing:
1. A liar shepherd
2. Unity is strength
3. Truthfulness
4. The fox without a tail
5. Robert Bruce.


Describing graphs & charts
1. Literacy rate of Bangladesh in different years…..
2. Results of different exams……
3. Population growth…..
4. Internet and facebook users……
5. Average temperature in Bangladesh


Informal Letter Writing:
1. Congratulating him on his brilliant result
2. Importance of learning English
3. Invitation birthday party
4. About your aim in life
5. Describing a road accident
Dialogue Writing:

1. Necessity of reading newspaper
2. A doctor on your suffering from fever
3. Eradication of illiteracy
4. The importance of reading newspaper
5. Planning after the SSC Exam
English 2nd paper


Grammar (Q1-11)
Every student should to practices grammar.
CV Writing(12)
1. For the post of Marketing Manager
2. For the post of English Teacher
3. Post of Medical Representive
4. Post of computer operator
5. Post of Library Assistant.


Formal letter/Application(13)
1. Prayer for seat in a school hostel
2. Prayer for relief flood affected people
3. Prayer for go on a study tour
4. Setting up a canteen
5. Prayer for a testimonial\

Paragraph writing(14)
1. A Tee Stall
2. A Rickshaw Puller
3. A Rainy Day
4. A Moonlit Night
5. Early Rising
Short Composition(15)

1. Modern science
2. Student life

Wednesday, February 3, 2016

বিসিএস গণিত শর্টকাট-লাভ ক্ষতি

সূত্রঃ ১
ক্ষতিতে বিক্রিত পণ্যের ক্রয়মূল্যের ক্ষেত্রে – [লাভের হার উল্লেখ না থাকলে]
ক্রয়মূল্য = (১০০ x বিক্রয়মূল্য) / (১০০ – ক্ষতির শতকরা হার)
অংকঃ একটি ঘড়ি ৫৬০ টাকায় বিক্রয় করায় ২০% ক্ষতি হল। ঘড়িটির ক্রয়মূল্য কত ছিল?
সমাধানঃ
ক্রয়মূল্য = (১০০ x বিক্রয়মূল্য) / (১০০ – ক্ষতির শতকরা হার)
= (১০০ x ৫৬০) / (১০০ – ২০)
= ৭০০ টাকা

সূত্রঃ ২
বিক্রয়কৃত পণ্য সংখ্যা = (বিক্রয়কৃত পণ্য সংখ্যা / ক্রয়মূল্য) x (১০০ x বিক্রয়মূল্য / ১০০ + লাভ)
অংকঃ টাকায় ৬ টা করে ক্রয় করে টাকায় কয়টা বিক্রয় করলে ২০% লাভ হবে?
সমাধানঃ
বিক্রয়কৃত পণ্য সংখ্যা = (বিক্রয়কৃত পণ্য সংখ্যা / ক্রয়মূল্য) x (১০০ x বিক্রয়মূল্য / ১০০ + লাভ)
= (৬ / ১) x (১০০ x ১ / ১০০ + ২০)
= ৫ টি


সূত্রঃ ৩
লাভে বিক্রিত পণ্যের ক্রয়মূল্যের ক্ষেত্রে –
ক্রয়মূল্য = (১০০ x বিক্রয়মূল্য) / (১০০ + লাভের শতকরা হার)
অংকঃ একটি ছাগল ২৭৬ টাকায় বিক্রি হওয়ায় ১৫% লাভ হয়। ছাগলটির ক্রয়মূল্য কত?
সমাধানঃ
ক্রয়মূল্য = (১০০ x বিক্রয়মূল্য) / (১০০ + লাভের শতকরা হার)
= (১০০ x ২৭৬) / (১০০ + ১৫)
= ২৪০ টাকা
সূত্রঃ ৪
লাভে বিক্রিত পণ্যের বিক্রয়মূল্যের ক্ষেত্রে –
বিক্রয়মূল্য = {মোট লাভ (১০০ + লাভের হার)} / লাভের হার
অংকঃ একটি জিনিস বিক্রি করে বিক্রেতা ক্রয়মূল্যের ৩৫% লাভ করেন। মোট ২৮০ টাকা লাভ হলেজিনিসটির বিক্রয়মূল্য কত?
সমাধানঃ
বিক্রয়মূল্য = {মোট লাভ (১০০ + লাভের হার)} / লাভের হার
= {২৮০ (১০০ + ৩৫)} / ৩৫
= ১০৮০ টাকা
সূত্রঃ ৫
ক্ষতিতে পণ্য বিক্রয়ের ক্ষেত্রে। [লাভের হার উল্লেখ থাকলে]
পণ্য সংখ্যা = বিক্রীত পণ্যের সংখ্যা x (১০০ – ক্ষতি) / (১০০ + লাভ)
অংকঃ টাকায় ১২ টি লেবু বিক্রয় করায় ৪% ক্ষতি হয়। ৪৪% লাভ করতে হলে টাকায় কয়টি লেবু বিক্রয়করতে হবে?
সমাধানঃ
পণ্য সংখ্যা = বিক্রীত পণ্যের সংখ্যা x (১০০ – ক্ষতি) / (১০০ + লাভ)
= ১২ x (১০০ – ৪) / (১০০ + ৪৪)
= ৮টি লেবু

সূত্রঃ ৬
নির্দিষ্ট সংখ্যক পণ্যের ক্রয় বিক্রয়ের ক্ষেত্রে –
শতকরা লাভ = (বিক্রয়মূলয় – ক্রয়মূল্য) x ১০০ / ক্রয়মূল্য
অংকঃ ২০ টাকায় ১২ টি করে আমড়া কিনে প্রতিটি ২ টাকা করে বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ হবে?
সমাধানঃ
শতকরা লাভ = (বিক্রয়মূলয় – ক্রয়মূল্য) x ১০০ / ক্রয়মূল্য
= (২৪ – ২০) x ১০০ / ২০
= ২০%

সূত্রঃ ৭
ক্ষতিতে পণ্য বিক্রয়ের ক্ষেত্রে – [লাভের হার উল্লেখ না থাকলে]
ক্ষতির হার = (ক্ষতি x ১০০) / (বিক্রয়মূল্য + ক্ষতি)
অংকঃ একটি দ্রব্য ৩৮০ টাকায় বিক্রয় করায় ২০ টাকা ক্ষতি হলো। ক্ষতির শতকরা হার কত?
সমাধানঃ
ক্ষতির হার = (ক্ষতি x ১০০) / (বিক্রয়মূল্য + ক্ষতি)
= (২০ x ১০০) / (৩৮০ + ২০)
= ৫%
সূত্রঃ ৮
সংখ্যাযুক্ত পণ্যের ক্রয়মূল্য বিক্রয়ের ক্ষেত্র
শতকরা লাভ = (নির্দিষ্ট মূল্যে ক্রয়কৃত সংখ্যা – নির্দিষ্ট মূল্যে বিক্রিত সংখ্যা ) x ১০০ / নির্দিষ্ট মূল্যেবিক্রীত সংখ্যা।
অংকঃ ৮টি কমলার ক্রয়মূল্য ৬ টি কমলার বিক্রয়মূল্যের সমান হলে শতকরা কত লাভ হবে?
সমাধানঃ
শতকরা লাভ = (নির্দিষ্ট মূল্যে ক্রয়কৃত সংখ্যা – নির্দিষ্ট মূল্যে বিক্রিত সংখ্যা ) x ১০০ / নির্দিষ্ট মূল্যেবিক্রীত সংখ্যা।
= (৮ -৬) x ১০০  / ৬
= ৩৩.৩৩%


সূত্রঃ ৯
ক্রয় বিক্রয়ে ক্রমিক সংখ্যার ক্ষেত্রে –
ক্ষতি = ১০০ / (টাকায় যতটি বিক্রি হয়)^২
অংকঃ টাকায় ৫টি ও টাকায় ৭ টি দরে সমান সংখ্যক জামরুল কিনে টাকায় ৬ টি দরে বিক্রয় করলেশতকরা ক্ত লাভ বা ক্ষতি হবে?
সমাধানঃ
ক্ষতি = ১০০ / (টাকায় যতটি বিক্রি হয়)^২
= ১০০ / (৬)^২
= ২ ৭/৯ %
সূত্রঃ ১০
ক্ষতিতে বিক্রিত পণ্যের ক্রয়মূল্যের ক্ষেত্রে – [লাভের হার উল্লেখ থাকলে]
ক্রয়মূল্য = (১০০ x যত টাকা বেশী বিক্রয়)/ (ক্ষতির শতকরা হার + লাভের শতকরা হার)
অংকঃ একজন বিক্রেতা ১২.৫% ক্ষতিতে একটি জিনিস বিক্রি করেন। যে মূল্যে তিনি জিনিসটি বিক্রিকরলেন, তার চেয়ে ৩০ টাকা বেশি মূল্যে বিক্রি করলে ক্রয়মূল্যে তার উপর ২৫% লাভ হত। জিনিসটিরক্রয়মূল্য কত?
সমাধানঃ
ক্রয়মূল্য = (১০০ x যত টাকা বেশী বিক্রয়)/ (ক্ষতির শতকরা হার + লাভের শতকরা হার)
= (১০০ x ৩০)/ (১২.৫ + ২৫)
= ৮০ টাকা